
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
অকুতোভয় ডিসি সারোয়ার আলম।
বিদায় বেলা মাজারের কথিত খাদেম ও দোসরদের মুখে চুনকালি দিয়ে গেলেন!
বিদায় বেলা তাঁর পক্ষ হতে-শাহজালাল রহ মাজারে বাক্স ও ডেগে পাওয়া দানের নগদ টাকার মাত্র তিন দিনের হিসাব পেশ করা হয়–
১৭লক্ষ ৬৫হাজার ৫৪৯টাকা
৭আনা স্বর্ণ ও ২টি সৌদি রিয়াল।
শনি,রবি,সোম বারের হিসাব।
বৃহস্পতি,শুক্র সবচেয়ে বেশি টাকা উঠে।
এছাড়া সবচেয়ে বেশি টাকা পাওয়া যায়-
মাজারের গিলাফের উপর-
গোলাপজল দিয়ে ভেজানো–এখানে প্রত্যেহ
৫/৬ লক্ষ টাকা।
গম্বুজের নিচে গদি–প্রত্যেহ প্রায় তিন লাখ
টাকা।
অফিসে কথিত রিসিটের মাধ্যমে–
গরু ছাগল হাস মোরগ মান্নত–
তিন দিনের হিসেবে আসেনি।
মাত্র ৩০ ℅হিসেবে এসেছে।
আনুমানিক প্রত্যেহ ২০/২৫ লাখ টাকা
আয় হয় এবং কথিত খাদেমরা লুটে নেয়।
তিনি ঘোষণা দিয়ে দিয়েছিলেন–
মাজারের মান্নত ও দান খায়রাতের টাকা
জনকল্যাণে ব্যয় হবে।
কথিত খাদেমদের পেট হতে মান্নাত ও
খায়রাত রক্ষা করা হবে।
তিনি এসব খাদেমদের হাতে মাজারের
দায়িত্ব রেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন,খাদেম
ও জেলা প্রশাসন সম্মিলিতভাবে আয় পরিচালনা করবে,প্রকাশ্যে গননা হবে।
এতে বিত্তশালী মিসকিনরা তেলেবেগুনে জ্বলে উঠল,বিভিন্নমুখী ষড়যন্ত্র করে সফল হল,মন্ত্রী আরিফুল হক এর বিদেশ সফরের সুযোগে তাকে প্রত্যাহার করা হল।
ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিকট এমন উদ্যেগে প্রশংসীত হলেও ডিসি সারোয়ার সিলেট থাকতে পারলেননা কিন্তু বিদায় বেলা কথিত খাদেমচক্রের গালে চপেটাঘাত করে গেলেন।
মাজারের বাক্স ও ডেগের টাকা জনসম্মুখে
গননা শেষে জেলা প্রশাসন হতে আরও পাচ
লক্ষ টাকা যোগ করে ব্যাংকে রেখে গেলেন।
ম্যাসেজ দিয়ে গেলেন,ডিসি সারওয়ার প্রত্যাহার হয়েছেন কিন্তু তাঁর স্বচ্ছতার নীতি
সিলেটবাসীর নিকট আমানত।
এবার দেখার পালা– সিলেটের রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের স্বার্থে কাজ করবে না
জন দাবির প্রতি লক্ষ্য রাখবে?
সিলেটবাসীকে রাজনৈতিক নেতাদের কর্মকাণ্ড দেখে যথাযথ জবাব দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।
আল্লাহ নেতাদের সুমতি দিন-
সর্বপ্রকার জুলুমবাজির বিরুদ্ধে আমাদের
প্রতিরোধ গড়ে তুলার হিম্মত দিন।
মাওলানা
Leave a Reply